মিছিল নয়। মহামিছিল। পাখির চোখে দেখলে শুধু মাথা আর জাতীয় পতাকা। প্রধান বিচারপতির নির্দেশমতো সুপ্রিম কোর্টে পটিশন জমা দিতে মিছিল শুরু ‘ইন্ডিয়ার’। হাজারে হাজারে মানুষের সামনে হাঁটতে দেখা যায় রাহুল গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে। তাঁদের মাঝেই নজর কাড়েন আইসা নেত্রী নেহা বোরা।
এ দিন আন্দোলন শুরুর আগে কংগ্রেস সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সেখানে জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে বলেন, “ইস্তফা দিন। সবটা সামনে আনুন। আপনি ভুল করেছেন ঠিকই, কিন্তু এই ষড়যন্ত্রের মূল মাথা আপনি নন।”
রাহুল আরও বলেন, “আমরা জানি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারছেন না। আমি পরিষ্কার ভাষায় তাঁকে বলে দিচ্ছি, সিইসি পদে আপনার টেকা অসম্ভব।”
নির্বাচন কমিশনের বর্তমান নেতৃত্বের বদল না হওয়া পর্যন্ত এবং সংবিধান ও গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো সম্পূর্ণ পুনর্গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই থামবে না বলে জানিয়ে দেন কংগ্রেস নেতা। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচানোর এই লড়াই কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা নেতার স্বার্থের নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের লড়াই। নরেন্দ্র মোদী তো দূরের কথা, এই দেশ বা ভারতের মানুষ কাউকে ভয় পায় না— তা আমরা প্রমাণ করে দিতে চাই।”
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও বার্তা পোস্ট করে সমস্ত দেশবাসীকে দলমত নির্বিশেষে এই মিছিলে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান রাহুল। তিনি লেখেন, “এর আগে আমরা প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলাম। তিনি আমাদের একটি পিটিশন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মেনেই আজ বিরোধী জোটের সমস্ত নেতা ‘ভোট চুরি’-র বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মিছিল করছেন এবং পিটিশন দাখিল করবেন।”
এ দিন আন্দোলন শুরুর আগে কংগ্রেস সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সেখানে জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে বলেন, “ইস্তফা দিন। সবটা সামনে আনুন। আপনি ভুল করেছেন ঠিকই, কিন্তু এই ষড়যন্ত্রের মূল মাথা আপনি নন।”
রাহুল আরও বলেন, “আমরা জানি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারছেন না। আমি পরিষ্কার ভাষায় তাঁকে বলে দিচ্ছি, সিইসি পদে আপনার টেকা অসম্ভব।”
নির্বাচন কমিশনের বর্তমান নেতৃত্বের বদল না হওয়া পর্যন্ত এবং সংবিধান ও গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো সম্পূর্ণ পুনর্গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই থামবে না বলে জানিয়ে দেন কংগ্রেস নেতা। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচানোর এই লড়াই কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা নেতার স্বার্থের নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের লড়াই। নরেন্দ্র মোদী তো দূরের কথা, এই দেশ বা ভারতের মানুষ কাউকে ভয় পায় না— তা আমরা প্রমাণ করে দিতে চাই।”
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও বার্তা পোস্ট করে সমস্ত দেশবাসীকে দলমত নির্বিশেষে এই মিছিলে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান রাহুল। তিনি লেখেন, “এর আগে আমরা প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলাম। তিনি আমাদের একটি পিটিশন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মেনেই আজ বিরোধী জোটের সমস্ত নেতা ‘ভোট চুরি’-র বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মিছিল করছেন এবং পিটিশন দাখিল করবেন।”
আন্তজার্তিক ডেস্ক